রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১২:১২ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
দেশের সকল জেলা, থানা/উপজেলা/ইউনিয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে "দি সকাল বিকাল " এ চীফ রিপোর্টার, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে আগ্রহী প্রার্থীরা আজি যোগাযোগ করুন drsubratabogra@gmail.com । প্রিয় পাঠক আপনিও “দি সকাল বিকাল” নিউজকে পাঠাতে পারেন আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার কথা জানাতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতা অথবা আপিও হতে পারেন একজন সাংবাদিক । দি সকাল বিকাল এর সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথেই থাকুন

নয় মাস ধরে বয়স্কভাতার টাকা পান না আক্কেলপুরের আমেনা বেগম

 সম্পা মহন্ত (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ / ৫১ বার
আপডেট সময় শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

 সম্পা মহন্ত (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার আমেনা বেগম (৭৯)। নয় মাস থেকে পান না বয়স্কভাতার টাকা। তার নাম বয়স্ক ভাতার তালিকায় থাকলেও টাকার কোনো খোঁজ নেই। তালিকায় দেওয়া বিকাশ নম্বরটির মালিকের কোনো হদিস মিলছে না। কর্তৃপক্ষ বলছেন টাকা তালিকায় দেয়া বিকাশ নাম্বারে দেয়া হচ্ছে। যদি টাকা না ঢুকতো তাহলে আমাদের কাছে ফেরৎ আসতো। ঘটনাটি আক্কেলপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের। আজ বৃহস্পতিবার সকালে আমেনা বেগম উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এসে খোঁজ নিলে বিষয়টি নজরে আসে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা। আমেনা বেগমের বয়স্ক ভাতার বইয়ে বিকাশের যে ফোন নম্বর দেওয়া রয়েছে, সেটির মালিক কে, কেউ তা বলতে পারছেন না। বিকাশের ওই নম্বরটিও বন্ধ। আমেনা বেগম গত ৯ মাসের বয়স্ক ভাতা বাবদ ৪ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সোহেল রানা। বৃদ্ধা আমেনা বেগমের স্বামী বেশ কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। তার তিন ছেলে, তিন মেয়ে। সবার বিয়ে হয়েছে। আর তিন ছেলেরই আলাদা সংসার। ৭৯ বছরের বৃদ্ধা আমেনা বেগম একাই থাকেন। নিজেই রান্না করে খান। আমেনা বেগমের বড় ও মেজ ছেলে রেজাউল করিম (৬০) ও আলিম মন্ডল (৫০) পেশায় কৃষক। আর ছোট ছেলে ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। আমেনা বেগমের মেজ ছেলে আলিম মন্ডল বলেন, ‘অনেক দিন আগে সোনামুখী ইউনিয়নে যখন বয়স্ক ভাতার কার্ড করা হচ্ছিল, তখন আমার ছোট ভাই নজরুল মায়ের ওই কার্ড করেছিলেন। সেই ওই নম্বরটি দিতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার মাকে নিয়ে আমি ব্যাংকে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে তারা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এখান থেকে বলা হলো মায়ের বয়স্ক ভাতার বইয়ে লেখা বিকাশ নম্বরটিতেই টাকা যেতে পারে। কিন্তু ছোট ভাই বলছেন, ওই নম্বর তার নয়।’ বৃদ্ধা আমেনা বেগম বলেন, ‘আমি বয়স্ক মানুষ বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারি না। সন্তানেরাও আমাকে দেখে না। আগে ব্যাংক থেকে টাকা তুলেছি। এখন নাকি মোবাইল নম্বরে টাকা ঢোকে। কিন্তু কে টাকা তোলে, আর কার নম্বরে টাকা ঢোকে, সেটা আমি জানি না। আমি হাতে টাকা নিতে চাই। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, ‘বয়স্ক ভাতার বইয়ে যে নম্বর দেওয়া রয়েছে, সেটিতে টাকা ঢুকতে পারে। যদি না ঢুকত তাহলে ওই টাকা আমাদের কাছে ফেরত আসত। ইউনিয়ন পর্যায়ে যখন বয়স্ক ভাতার কার্ড করা হয়েছিল, সে সময় কেউ ওই বিকাশ নম্বর দিয়েছিল। তবে এই নম্বর আমরা পরিবর্তন করে দিতে পারব। তখন নতুন যে নম্বর দেওয়া হবে, সেটিতে প্রতি মাসের টাকা চলে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত

Theme Created By ThemesDealer.Com