সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ১১:০৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
দেশের সকল জেলা, থানা/উপজেলা/ইউনিয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে "দি সকাল বিকাল " এ চীফ রিপোর্টার, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে আগ্রহী প্রার্থীরা আজি যোগাযোগ করুন drsubratabogra@gmail.com । প্রিয় পাঠক আপনিও “দি সকাল বিকাল” নিউজকে পাঠাতে পারেন আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার কথা জানাতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতা অথবা আপিও হতে পারেন একজন সাংবাদিক । দি সকাল বিকাল এর সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথেই থাকুন
শিরোনামঃ
আত্রাইয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়ে গেল স্থানীয় এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ স্থাপনা দখল বাণিজ্য আত্রাইয়ে ব্র্যাকের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে গলায় ফাঁস দিয়ে আ’লীগ নেতার আত্মহত্যা চিরিরবন্দরে নারী উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে হত দরিদ্র মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ রাজারহাট উপজেলায় মডেল প্রেসক্লাব এর শুভ উদ্বোধন। উলিপুরে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণ: ৪মাসের অন্তঃসত্ত্বা,অভিযুক্ত ধর্ষক আটক রাজারহাট উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ৮০টি ভূমিহীন পরিবারকে ঘরের চাবি হস্তান্তর। সিংড়ায় কাজ শেষ করার আগেই ফাঁটল মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে গাইবান্ধার সুন্দর গঞ্জে মানববন্ধন বগুড়ায় প্রেমের টানে বরিশাল থেকে এসে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন !!

নাগেশ্বরীতে বয়স্ক-বিধবা ভাতাভোগীর বিকাশ সিম আটক রেখে টাকা দাবি

রিপোর্টারের নাম / ৪১ বার
আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১

নাগেশ্বরী প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বয়স্ক ও বিধবা ভাতাভোগীদের বিকাশ সিমকার্ড আটক রেখে টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিতভাবে এই অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে জানা যায় বেরুবাড়ী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে বয়স্ক ও বিধবাদের নিকট থেকে ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ভাতা কার্ড করে দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের নিকট থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র জমা নেয় এবং স্ব-স্ব ভাতাভোগীর নামের সিম কার্ডে বিকাশ খোলার জন্য তার নিজ বাড়িতে ডাকে। বাড়িতে ডেকে নিয়ে ভাতাভোগীদের কাছ থেকে সিমকার্ডে বিকাশ খোলার কথা করে সিম জমা নিয়ে ছবি তুলে বিকাশ করে দিয়ে সিমকার্ড ও বিকাশের পিন কোড নিজের কাছেই রেখে দেয়। পরে ভুক্তভোগীরা বিকাশের সিম ও পিন কোড ফেরৎ চাইলে যে সিম জমা না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দেয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন। পরে ভুক্তভোগী অসহায় মানুষগুলো নিরুপায় হয়ে ভাতাকার্ড পাওয়ার আশায় ওই সদস্যের কাছে সিম জমা রাখে। কিছুদিন পর পারেন তারা বয়স্ক ও বিধবা ভাতার তালিকা ভুক্ত হয়েছেন এবং প্রত্যেকের সিমের বিকাশ নম্বরে সরকারিভাবে জনপ্রতি ৩ হাজার করে টাকা এসেছে। বিষয়টি জানারপর সিম ও পিনকোড ফেরত চাইলে ওই সদস্য জন প্রতি ২ হাজার করে টাকা দাবি করেন। নয়তো সিম ফেরত দেবেন না বলেও জানায়। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ করেন তারা। ভুক্তভোগী কুদ্দুছ খান, সাহের আলী, ফজিলা বেওয়া প্রতিবেদককে জানান, আনোয়ার মেম্বার সিমে বিকাশ করে দেয়ার কথা বলে শতাধিক মানুষের কাছ থেকে সিম জমা নিয়ে ছবি তুলে সিমে বিকাশ করে দেয়। পরে আর সিমও দেয়নি বিকাশের পিনকোডও দেয়নি। এখন নাম প্রতি ২ হাজার করে টাকা দাবি করছেন। টাকা না দিলে সিম ফেরৎ দেবে না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই। এ ব্যাপারে আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি ওদের কাছে সিম চাইনি ওরাই নিজে থেকে আমাকে বিকাশ করার জন্য সিম জমা দিয়েছে। অনেকের ভুল নাম্বার দিয়েছিলো। তাই সমস্যা সমাধানে সিমগুলো আমার কাছে ছিলো। তবে আমি ওদেরকে সিম নিয়ে যেতে বলেছি,তাদের নিকট টাকা দাবি করা হয়নি। তবে এখানে একটি মসজিদ মেরামতের জন্য টাকা দিতে বলেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর আহমেদ মাছুম বলেন, সমাজসেবা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তু রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সালেকুল ইসলাম বলেন, আমি ব্যস্ততার কারণে এখনও তদন্ত করতে পারিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত

Theme Created By ThemesDealer.Com